আইএসপি প্ল্যাটফর্ম
মালিক পড়েন হিসাব। কালেক্টর পড়েন রুট। টেকনিশিয়ান ONU সিরিয়াল টাইপ করেন, লাইন উঠে যায়। নিচে একটাই সিস্টেম, আর কাউকে অন্যের মেনু ঘেঁটে কাজ করতে হয় না।
ডেমো আপনাকে যা ধরিয়ে দেয়
৬০০ লাইন
চালু একটা আইএসপি, চার মাসের বিল তোলা, একজন কালেক্টর রুটের মাঝপথে।
২ মিনিট
ফ্রন্ট ডেস্কে নতুন সংযোগ — প্যাকেজে বসিয়ে বিল পর্যন্ত।
৬ ভূমিকা
মালিক, ফ্রন্ট ডেস্ক, কালেক্টর, টেকনিশিয়ান, সাব-এজেন্ট — আর গ্রাহক নিজে।
সংযোগ
01
মালিক, ফ্রন্ট ডেস্ক, কালেক্টর, টেকনিশিয়ান, সাব-এজেন্ট আর গ্রাহক — প্রত্যেকে নিজের মেনুসহ নিজের হোম স্ক্রিনে নামেন। ডেস্ক টাকা নিতে আর কমপ্লেইন তুলতে পারে, লাইন কাটতে বা পেমেন্ট বাতিল করতে পারে না — সীমাটা সফটওয়্যারের, দেয়ালে সাঁটা এমন কোনো নিয়ম নয় যা মাসের শেষে সবাই পাশ কাটিয়ে যায়।
02
আজ কত এল, এই মুহূর্তে কয়টা সংযোগ অফলাইন, কার লাইন কাটার তারিখ পড়েছে, আর মাসে খরচ কত হলো। তিনটে ফোন করে জানার বদলে চা আসার আগেই চারটে সংখ্যা।
03
ফোনে বাড়ির রুট, দরজায় নগদ বা বিকাশ, আর টাকা নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকের কাছে রসিদের এসএমএস। নেটওয়ার্ক না থাকলেও চলে — কারণ রাস্তাতেই নেটওয়ার্ক সবচেয়ে খারাপ — আর রসিদটা সঙ্গে সঙ্গে যাওয়াই "টাকা দিয়েছি কি দেইনি" তর্কটা থামিয়ে দেয়।
04
নতুন ইনস্টলেশন আর পুরোনো লাইনের সমস্যা — একই তালিকা থেকে। ONU সিরিয়াল বসালেই সংযোগ চালু হয়, তাই গ্রাহকের বাড়ির বাক্স আর সিস্টেমের রেকর্ড দুটো আলাদা জিনিস নয়, একটাই।
05
লাইন কাটা মানে ১০ তারিখে কারও মনে করে স্ট্যাটাস বদলানো নয়। নির্ধারিত কাট চলে, লাইন নামে, টাকা পড়লে আবার ওঠে। মাসের যে অংশটা এক সপ্তাহ খেয়ে ফেলে, সেটা করে দেয় বিল তোলা সিস্টেমটাই।
06
রিসেলার নিজের এলাকায় কাজ করেন নিজের ওয়ালেট আর নিজের কার্ড স্টক নিয়ে। তিনি আপনাকে কত দেবেন আর কত বিক্রি করেছেন — দুটোই এমন সংখ্যা যা দুজনেই দেখতে পান, আর এটাই হিসাব মেলানো আর ঝগড়ার মধ্যে তফাত।
07
নিজের বিল, কত দিয়েছেন, কত বাকি, আর লাইন গেছে জানানোর ব্যবস্থা। এর প্রতিটিই এমন একেকটা ফোন, যা রাত ন’টায় আর আপনার কাছে আসে না।
08
তিন, ছয় বা বারো মাসের টাকা আগে দেওয়া এই ব্যবসায় স্বাভাবিক, আর খাতায় রাখা কঠিন। জমাটা ধরে রাখা হয় আর প্রতি মাসের বিল ওঠার সঙ্গে কাটতে থাকে — তাই "ও ফাল্গুন পর্যন্ত দিয়ে রেখেছে" কথাটা আপনার মনে রাখার বদলে সিস্টেমই জানে।
সংযোগ অনুযায়ী মাপ
প্রতিটি ধাপে একই অ্যাপ — বড় প্ল্যানের জন্য কিছু আটকে রাখা নেই। বদলায় শুধু কত সংযোগের বিল হবে, তাই ৩০০ লাইনের অপারেটরকে ৩,০০০ লাইনের দাম দিতে হয় না।
স্কেল
প্রথম ১৪ দিন ফ্রি
পুরো বিলিং — মাইক্রোটিক, নিজে নিজে বিল, গ্রেস শেষে লাইন কাটা আর টাকা এলে আবার চালু, আর বিকাশ-নগদের প্রতিটি টাকা ঠিক গ্রাহকের নামে বসানো। বিটিআরসির ত্রৈমাসিক হিসাবও এখানেই আছে — সব প্ল্যানেই, এটিতেও।
১৪ দিন ফ্রি শুরু করুনলাইভ ডেমো দেখুনপ্রথম ১৪ দিন ফ্রি
একই বিলিং, সাথে মানুষজন: কালেক্টরের রুট — সিগনাল ছাড়াই টাকা নেয় আর রাতে যা জমা দেয় তার সাথে হিসাব মেলে, রিসেলারের নিজের পাড়া ও ওয়ালেট, হটস্পট কার্ড, আর কোম্পানিদের জন্য ইনভয়েস।
১৪ দিন ফ্রি শুরু করুনপ্রথম ১৪ দিন ফ্রি
এসবের সাথে খাতা কী বলছে তা-ও — চার্ন সংখ্যা নড়ার আগেই কোন রাস্তাটা হাতছাড়া হচ্ছে, কোন লাইনগুলো ভাগাভাগি হচ্ছে বলে মনে হয়, কাকে বড় প্যাকেজ দেওয়া যায়, আর প্রতিটি ফাইবারের আলো।
১৪ দিন ফ্রি শুরু করুনতালিকা বড় হলে যেকোনো সময় পরের ধাপে যান। প্রতিটি ধাপেই শুরুতে সেই একই ১৪ দিন ফ্রি।
ডেমো খুলে এক মিনিট মালিক হয়ে দেখুন। তারপর কালেক্টর হয়ে দেখুন — একই আইএসপি, রাস্তা থেকে।
১৪ দিন ফ্রি শুরু করুন