ডকুমেন্ট
ইনভয়েস পরিশোধ, রিনিউয়াল, প্ল্যান বদল আর রিফান্ডের নিয়ম।
পড়তে ৪ মিনিট
টাকাপয়সার সবকিছু থাকে আপনার ক্লায়েন্ট এরিয়ায়: কত বাকি, কত দিয়েছেন, আর পরের ইনভয়েস কবে।
ইনভয়েস ইমেইলে যায়, আবার ক্লায়েন্ট এরিয়ার বিলিং অংশেও থাকে। ইনভয়েসটি খুলে বিকাশ, নগদ বা কার্ড দিয়ে পরিশোধ করুন। সব টাকায়, তাই কনভার্সন নেই, আন্তর্জাতিক কার্ডেরও দরকার নেই। পেমেন্ট কয়েক সেকেন্ডে নিশ্চিত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গেই সার্ভিস চালু বা রিনিউ হয়ে যায়।
সার্ভিস প্রতি মাসে বা প্রতি বছরে একই তারিখে রিনিউ হয়, আর ইনভয়েস শেষ তারিখের দিন নয় — তার আগেই আসে, যাতে হাতে সময় থাকে। ডোমেইনের রিনিউয়ালের দিকে বাড়তি নজর রাখুন: মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে ডোমেইন ফেরত পাওয়া ব্যয়বহুল হতে পারে, আর মাঝে মাঝে অন্য কেউ সেটি নিয়েও নেয়।
বার্ষিক বিলিংয়ে মাসপ্রতি খরচ কম পড়ে, আর বারোবারের বদলে একবার পেমেন্টের কথা মনে রাখলেই হয়। মাসিক বিলিং নগদ টাকার চাপ কম রাখে। রিনিউয়ালের সময় ক্লায়েন্ট এরিয়া থেকে একটি থেকে আরেকটিতে যাওয়া যায়।
বড় প্ল্যানে গেলে তা সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়, আর চলতি বিলিং সময়ের বাকি অংশের পার্থক্যটুকুই হিসাব করে নেওয়া হয় — পুরো মাসের দাম নয়। ছোট প্ল্যানে নামলে তা পরের রিনিউয়াল থেকে কার্যকর হয়, অর্থাৎ যতটুকুর দাম দিয়েছেন ততটুকু আপনি পেয়ে যান।
প্রতিটি ইনভয়েস PDF হিসেবে নামানো যায়, তাতে আপনার ব্যবসার নাম ও ঠিকানা থাকে। পরের ইনভয়েস তৈরি হওয়ার আগেই ক্লায়েন্ট এরিয়ার প্রোফাইলে এই তথ্যগুলো ঠিক করে রাখুন — ইনভয়েস তৈরির মুহূর্তে যা থাকে সেটিই তাতে বসে যায়, পরে বদলালে আগের ইনভয়েসগুলো বদলায় না।
হোস্টিং, ইমেইল ও অ্যাপ আমাদের রিফান্ড নীতির আওতায়; প্রযোজ্য শর্তগুলো রিফান্ড পেজে দেওয়া আছে। ডোমেইন এর ব্যতিক্রম: রেজিস্ট্রিতে একবার নাম রেজিস্টার হয়ে গেলে সেই ফি ফেরত আসে না, তাই অর্ডার করার আগে বানানটা দেখে নিন।
ইনভয়েস বাকি থাকলেই সঙ্গে সঙ্গে কিছু বন্ধ হয়ে যায় না। ইনভয়েসটি খোলা থাকে, আমরা ইমেইল করি, আর সার্ভিস বন্ধ হওয়ার আগে কিছুটা সময় দেওয়া হয়। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে যাওয়ার পরও ইনভয়েস যদি বাকি দেখায়, ট্রানজেকশন আইডিটি আমাদের পাঠান — পেমেন্ট মিলিয়ে দিতে ওটুকুই যথেষ্ট।
সাপোর্ট বাংলা ও ইংরেজি — দুই ভাষাতেই উত্তর দেয়: হোয়াটসঅ্যাপে, ইমেইলে, বা ক্লায়েন্ট এরিয়ার টিকিটে।