ডকুমেন্ট
নতুন ডোমেইন নেওয়া, অথবা পুরনো ডোমেইন হোস্টিংয়ের দিকে ঘোরানো।
পড়তে ৪ মিনিট
ডোমেইন হলো সেই ঠিকানা, যা লিখে মানুষ আপনার কাছে পৌঁছায়। CoreBari-তে ডোমেইন চালু করার দুটি উপায়: এখান থেকে নতুন নেওয়া, অথবা আপনার আগের ডোমেইনটি এদিকে ঘোরানো।
ডোমেইন পেজে গিয়ে পছন্দের নামটি খুঁজুন আর অর্ডারে যোগ করুন। .com, .net, .xyz ও .online এক মিনিটের মধ্যেই রেজিস্টার হয় এবং নিজে থেকেই আপনার হোস্টিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় — কোনো DNS সেটিংয়ে হাত দিতে হয় না।
.com.bd-র নিয়ম আলাদা। এটি কেবল বাংলাদেশ থেকেই নেওয়া যায় এবং রেজিস্ট্রি কাগজপত্র চায়: ব্যক্তিগত নামে নিলে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যবসার নামে নিলে ট্রেড লাইসেন্স। অর্ডারের সঙ্গে স্ক্যান কপি পাঠিয়ে দিন, বাকি কাজ আমরা করব। অনুমোদন হতে সাধারণত কয়েক কর্মদিবস লাগে। কাগজের নাম আর অর্ডারের নাম এক আছে কি না দেখে নেবেন — আবেদন ফেরত আসার সবচেয়ে সাধারণ কারণ এই অমিলটাই।
যেখান থেকে ডোমেইনটি কিনেছেন — GoDaddy, Namecheap, বা কোনো স্থানীয় রিসেলার — সেখানে লগইন করে নেমসার্ভারের সেটিং খুঁজুন। এটি সাধারণত DNS, Nameservers বা Domain Management-এর নিচে থাকে। সেখানে যা আছে, তা মুছে বসিয়ে দিন:
সেভ করুন, তারপর ডোমেইনের নামটি আমাদের পাঠান যাতে আমরা সেটি আপনার হোস্টিং অ্যাকাউন্টে যোগ করে দিতে পারি। দুটো কাজই করতে হবে: আমাদের না জানিয়ে শুধু নেমসার্ভার বদলালে ডোমেইনটি এমন এক সার্ভারের দিকে তাকিয়ে থাকবে, যে তখনো ওই ডোমেইনের কথা জানে না।
নেমসার্ভারের পরিবর্তন সারা ইন্টারনেটে ছড়াতে কয়েক ঘণ্টা লাগে, কখনো ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত। এই সময়টায় সাইট বন্ধ থাকে না — যাঁদের নেটওয়ার্কে পরিবর্তনটি এখনো পৌঁছায়নি, তাঁরা পুরনো সাইটটিই দেখতে থাকেন, আর পৌঁছে গেলে নতুনটি দেখেন।
পরিবর্তন ছড়িয়ে পড়ার পর আপনার সাইট https-এ খুলবে, ঠিকানার পাশে তালার চিহ্ন থাকবে। SSL সার্টিফিকেট নিজে থেকেই ইস্যু ও রিনিউ হয়, তাই আলাদা করে কিছু কিনতে বা বসাতে হয় না। একদিন পরেও পুরনো হোস্টের সাইট দেখালে প্রথমে রেজিস্ট্রারে গিয়ে দেখুন নেমসার্ভার আসলেই সেভ হয়েছে কি না — সমস্যাটা প্রায় সবসময় ওখানেই। সঙ্গে মোবাইল ডেটা দিয়ে ফোন থেকেও একবার দেখুন, কারণ সেখানে আপনার বাসার DNS ক্যাশ কাজ করবে না।
সাপোর্ট বাংলা ও ইংরেজি — দুই ভাষাতেই উত্তর দেয়: হোয়াটসঅ্যাপে, ইমেইলে, বা ক্লায়েন্ট এরিয়ার টিকিটে।